প্রশাসনিক
প্রতিষ্ঠাতা
আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ সরদার
প্রতিষ্ঠাতা
আলহাজ্ব আব্দুল আজিজ সরদার শিমরাইল গ্রামের একটি সম্ভান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি ছিলেন একজন সফল ব্যক্তিত্ব।
তিনি প্রথম জীবনে শ্রমিক রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। তিনি আদমজী জুট মিলস ও শিমরাইলে অবস্থিত তাজ জুট মিলের শ্রমিক রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাহচর্য পেয়ে ছিলেন। পরবর্তীতে ব্যবসা-বাণিজ্যকে তিনি পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
এক পর্যায়ে তিনি ছারছীনার পীর সাহেব মাও: আবু জাফর সালেহ (রহ.) সাহেবের সংস্পর্শে আসেন। তিনি শিমরাইলে একটি ইসলামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন অনুভব করেন। এই কারণে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন শিমরাইল দারুচ্ছুন্নাত নেছারিয়া ছালেহিয়া আলিম মাদ্রাসা।
সভাপতি
আলহাজ্ব আবদুল মতিন মাষ্টার
সভাপতি
আলহাজ্ব আবদুল মতিন মাষ্টার সাহেব শিমরাইল গ্রামে শিক্ষিত তরুনদের প্রথম সারির একজন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ সাহচর্য পেয়ে ছিলেন তিনি। এ কারণে তিনি জাতির জনকের আদর্শকে লালন ও ধারণ করেন। একজন সৎ ও উদ্দমী রাজনীতিবিদ এবং একজন আদর্শ সমাজকর্মী হিসেবে তিনি এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতার সাথে প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কাজ করে চলেছেন।
জাতীয় শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে সভাপতির পদ পরিচালনার পাশাপাশি এই প্রতিষ্ঠানটিকেও তিনি নিজের প্রাণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালনা করেছেন এবং এখনও এই কাজে নিয়োজিত আছেন।
দাতা সদস্য
আলহাজ্ব আব্দুল জলিল মাষ্টার
দাতা সদস্য
আলহাজ্ব আব্দুল জলিল মাষ্টার শিমরাইল গ্রামে প্রথম স্নাতকদের একজন। প্রতিষ্ঠাতার সাথে তিনি প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই কাজ করেছেন। অবকাঠামো নির্মান শ্রেণি কার্যক্রম সমাজের প্রতিষ্ঠানের সমর্থন পাওয়ার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠাতার সাথে কাজ করেছেন এবং এখনও এই প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের একজন আন্তরিক পৃষ্ঠপোষক।
অধ্যক্ষ
আলহাজ্ব মাও: ফরিদ উদ্দিন
অধ্যক্ষ
আলহাজ্ব মাও: ফরিদ উদ্দিন (এম. এম. এম. এ, 1ম শ্রেণি)
যোগদান: 13/02/2014
এর পূর্বে তিনি এই প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক ও উপাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন।
দায়িত্ব পালনের শুরু থেকেই তৎকালীন অধ্যক্ষ ও শিক্ষক এবং গভর্ণিংবডির সাথে একাত্ব হয়ে প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন। বর্তমানে তিনি অধ্যক্ষ হিসেবে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এলাকার একটি সফল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার চেষ্টা অব্যহত রেখে চলেছেন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষার মান বর্তমান আধুনিক কারিকুলাম, মাল্টিমিডিয়া ও অন্যান্য উপকরণের সমন্বয়ে আধুনিক ও যুগোপযোগি করার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।